ওদের রুখে দাঁড়ান এখনই – এই মুহূর্তে নারী নীতিমালার বিরোধী মৌলবাদীদের রুখে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে নারী সমাজ। একই আমিনীকে গ্রেফতার দাবি
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের জন্য ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান এবং ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির আমির ফজলুল হক আমিনীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। আমিনী শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সমাবেশে বাংলাদেশে ২০ হাজার মাদ্রাসা রয়েছে উলেস্নখ করে বলেন, তার ডাকের সঙ্গে সঙ্গে তারা সাড়া দেবে এবং এক ঘণ্টার নোটিসে দেশ অচল করে দিতে পারে। আমিনীর এই হুমকির জবাবে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি শনিবার বাসসকে বলেন, আমিনীরা ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্ম এবং মাদ্রাসাকে ব্যবহার করছেন। তিনি বলেন, আমিনী ধর্মের কথা বলে কোমলমতি মাদ্রাসার শিশুদের বিপথে চালু করছেন। এতে পুরো মাদ্রাসা শিৰা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। খবর বাসস’র।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ২০ হাজার মাদ্রাসা আমিনীর অধীনস্থ কোন প্রতিষ্ঠান নয়। এগুলো জনগণ এবং রাষ্ট্রের। মাদ্রাসা শিৰার জন্য বর্তমান মহাজোট সরকার যেসব পদৰেপ নিয়েছে তাতে তিনি আশা করেন, শিক্ষার্থীরাই ধর্মের অপব্যবহারকে প্রতিহত করবে এবং আমিনীর ডাকে সাড়া দেবে না। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, আমিনী এমন একটা দল করেন যা সাংগঠনিকভাবে অবৈধ।
সংবিধানের ৩৮ নম্বর ধারায় কোন ব্যক্তির ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল করার অধিকার নেই উলেস্নখ করে তিনি বলেন, আমিনীর দলের অফিস এখনও কেন তাকে তালাবদ্ধ করা হচ্ছে না এবং সংবিধান লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর জন্য এখনও কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না সেটাই জনগণের প্রশ্ন। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, মাদ্রাসার ছাত্ররাও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ছিল। সেই সময়ও স্বাধীনতা বিরোধীরা তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল।
তিনি বলেন, একাত্তরে তাদের সেই ষড়যন্ত্র যেমন ব্যর্থ হয়েছিল এখনও তা হবে। তবে এ ব্যাপারে একাত্তরের মতো দলমত নির্বিশেষে সমসত্ম দেশবাসীকে আবারও রাজপথে নামতে হবে বলে তিনি উলেস্নখ করেন। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম আমিনীর এই বক্তব্যকে দুঃসাহস বললেও কম বলা হবে উলেস্নখ করে তার গ্রেফতারের দাবি জানান। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমিনীরা এ ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০ হাজার মাদ্রাসার মালিক জনগণ, সামপ্রদায়িক ধর্ম ব্যবসায়ী আমিনীরা নয়। আমিনীর নামের আগে মাওলানা শব্দটি বাদ দেয়া উচিত উলেস্নখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, যারা এভাবে রাষ্ট্রের বিরম্নদ্ধে হুমকি-ধমকি দেয় এবং অগণতান্ত্রিক এবং সামপ্রদায়িক কথা বলে তাদের জেলে রাখা উচিত। তিনি আমিনীর এই হুমকি-ধমকিকে ফাঁকা আওয়াজ বলে উলেস্নখ করেন। রাজাকার নিধনের সঙ্গে সঙ্গে দেশ থেকে ধর্মব্যবসায়ী ও জঙ্গীবাদকে উৎখাত করার প্রত্যয় ঘোষণা করেন তাঁরা। রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচী থেকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী নেতৃত্বরা এই ঘোষণা দেন। সাংসদ নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, পান্না কায়ছার, এ্যাডভোকেট তারানা হালিম, মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম, সাংসদ আমেনা বেগম, মেহের আফরাজ চুমকি, সাগুপ্তা ইয়াসমীন এমিলি, জোবেদা খাতুন, মহিলা লীগের ফারম্নল আক্তার প্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার শত শত নারী মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন। নারীনীতির বিরোধিতাকারীদের ধিক্কার জানিয়ে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মকে নিজের করে নিয়েছে। তারা ধর্মকে ব্যবসা হিসেবে নিয়ে নারীদের বিরম্নদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ফতোয়া দিয়ে তাদের ঘরে বন্দী করে নির্যাতন করতে চায়। নারীনীতির বিরম্নদ্ধে হরতালের ডাক দেয়া ইসলামী ঐক্যজোটের আমীর মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে উদ্দেশ করে সাজেদা চৌধুরী বলেন, মৌলবাদীর ডাকা হরতালকে দেশের মানুষ প্রতিহত করবে। কারণ তিনি যে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে দেশে জঙ্গী সৃষ্টি করছেন তা দেশের মানুষ জানে। সাজেদা চৌধুরী বলেন, এই সরকার সব সময় নারী উন্নয়নে কাজ করে। যে জন্য সরকারে থেকেও আজকে আমাদের পথে দাঁড়াতে হয়েছে। আমিনীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আমিনী যেভাবে ধর্মের দোহাই দেন সেভাবে মনে হয় তিনি ধর্মকে দখল করে নিয়েছেন। অন্য বক্তারা বলেন, আমিনীর ঢাকা হরতালকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নারীরা প্রতিহত করবে। একই সঙ্গে ফতোয়াবাজদের রম্নখে দেবে নারীরা। বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে তাঁরা বলেন, একজন নারী হয়ে তিনি কিভাবে নারী আইনের বিরম্নদ্ধে হরতাল দিয়েছেন দেশের নারী সমাজের কাছে তা বোধগম্য নয়। এ সময় বক্তারা খালেদা জিয়াকে দেশের ও নারীদের শত্রম্ন আখ্যা দিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালে যে সকল স্বাধীনতাবিরোধীরা নারীদের নির্বিচারে নির্যাতন করেছে তিনি তাদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। সেই চিহ্নিত ধর্ষণকারীদের সঙ্গে এক টেবিলে বসেন। এটা নারী জাতির জন্য কলঙ্কজনক। নারী নেতৃবৃন্দ বলেন, হরতাল আহ্বানকারীরা হরতাল সফল হওয়ার যে স্বপ্ন দেখছেন তা কখনও সফল হবে না। বরং মানুষ হরতালে থুথু নিক্ষেপ করবে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতে জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীদের মদদ দিয়ে মাঠে নামাচ্ছে ইসলামী ব্যাংক, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও ও বিভিন্ন ইসলামী নামের সংগঠন। সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালিয়ে তৎপরতা চালাচ্ছে তারা। শনিবার রাজধানীতে গ্রেফতার হওয়া ১৭ শিবির ও জঙ্গীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা।
শনিবার ঢাকার কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে জড়ো হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে মিছিল করার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় গ্রেফতার হয় ১৭ শিবির-জঙ্গী। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে জড়ো হয়ে অর্ধশতাধিক শিবির ও জঙ্গী যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে সেস্নাগানসহ মিছিল করার সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ বেধে যায়। শিবির ও জঙ্গীরা ভাংচুর, লুটপাট ও পুলিশকে লৰ্য করে ইটপাটকেল নিৰেপ করার সময় ১৭ শিবির ও জঙ্গীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বানচাল ছাড়াও জঙ্গীদের সংগঠিত করে রাজধানী ঢাকা-ঢাকার বাইরে বড় ধরনের নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর নীল-নকশার কথা জানতে পেরেছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা।
এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতারের পর তাদের মুক্তির দাবিতে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামানো খোদ ঢাকা থেকেই অনত্মত ৪০ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে শক্তিশালী বোমা। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, বিভিন্নস্থানে যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গীদের নিয়ে জামায়াত ক্যাডাররা ব্যাপক বোমাবাজি, গ্রেনেড হামলা ও স্পর্শকাতর স্থানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজধানীর আরামবাগের জামায়াত-শিবিরের মেসের পাশ থেকে র্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪টি শক্তিশালী হাত বোমা উদ্ধার করেছে। মতিঝিল থানায় এই ব্যাপারে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। কুষ্টিয়ায় দুই জামায়াত নেতাকে শক্তিশালী হাতবোমাসহ গ্রেফতার করা হয়।
জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীরা এর আগে গত বছর পল্টন ও কাকরাইল এলাকায় জঙ্গী মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নিয়ে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল দিয়ে চোরাগুপ্তা হামলা চালায় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশ ১১ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ১১ জামায়াত_শিবির ও জঙ্গী সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা গুরম্নত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পায়।
গত বছর গ্রেফতার করা হয় ২৫ জামায়াত_শিবির ও জঙ্গীকে। জামায়াতের পলাতক সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আবদুলস্নাহ মোহাম্মদ তাহের নির্দেশ ও উস্কানি দিয়ে মাঠে নামায় তাদের। যুদ্ধাপরাধীর বিচারপ্রক্রিয়া বানচাল ও আটক শীর্ষ জামায়াত নেতাদের মুক্তির জন্য নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা। জামায়াত_শিবিরের গ্রেফতারকৃত ২৫ কর্মী-ক্যাডারকে জিজ্ঞাসাবাদ, অনুসন্ধান ও তদনত্মে এই ধরনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। জামায়াতের সাবেক এমপি ডা. আবদুলস্নাহ তাহের জাতীয় প্রেসক্লাবে গত ৪ আগস্ট গোলটেবিল বৈঠকে বলেছিলেন, তাদের রিজার্ভ ফোর্স রেডি আছে। যে কোন সময়ে তারা মাঠে নামবে। তারপর জামায়াত_শিবিরের ২৫ ক্যাডার একত্রিত হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নেয়ার সময়ে গ্রেফতার হয়। পুলিশ ও গোয়েন্দারা পলাতক জামায়ায় নেতার বক্তব্যের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের মাঠে নামার সম্পৃক্ততার সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছে।
এর আগে রাজধানীর শাহআলী থানাধীন উত্তর বিশালের বাড়ি থেকে জঙ্গী ও জামায়াত_শিবির ক্যাডারদের আসত্মানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরকদ্রব্য ও জিহাদী বই। গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার রতনপুর থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুলস্নাহ জায়েদ বিন ছাবিদকে গ্রেফতার করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, জামায়াত_শিবির সংগঠিত হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। অস্ত্র ও গোলাবারম্নদ মজুদের চেষ্টা করে যাচ্ছে।
গোয়েন্দা ও পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, জামায়াতের সাবেক এমপি ডা. তাহের ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতিকে গ্রেফতারের জন্য মগবাজার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়। তাদের গ্রেফতার করা যায়নি। আত্মগোপনে থেকে তারা যুদ্ধাপরাধী, শিবির ও জঙ্গীদের সংগঠিত করে নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর উস্কানি ও নির্দেশ দিচ্ছে। জামায়াত_শিবিরের রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যরা এখন নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর কৌশল গ্রহণ করেছে বলে বিভিন্ন সময়ে জামায়াত_শিবির ও জঙ্গী সদস্যরা গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে গুরম্নত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। শনিবার রাজধানী ঢাকার কাকরাইল এলাকায় যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে মিছিল করার সময়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার সময় গ্রেফতারকৃত ১৭ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ১৭ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর তথ্য পাওয়া গেছে।
শতাধিক যান ভাংচুর ॥ রিক্সাওয়ালাদের আকস্মিক তাণ্ডব !!
০ কয়েক এলাকায় রিক্সা চলাচল বন্ধ ও অবৈধ রিক্সা আটকের প্রতিবাদ
০ পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ
০ যানজট দুর্ভোগ দোকানপাট বন্ধ
০ ব্যাটারিচালিত রিক্সাচালকদের মারধর
০ আহত ১০, আটক ১০
রাজধানীকে যানজটমুক্ত করতে অবৈধ রিক্সা উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে এবং বিভিন্ন সড়কে রিক্সা চলাচল বন্ধের প্রতিবাদে ঢাকায় রিঙ্াচালকরা শতাধিক যান ভাংচুর করেছে। এ সময় রিক্সাচালকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রৰাকারী বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অনত্মত ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ১০ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা প্রকৃত পৰে রিক্সাাচালক কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

