গাইবান্ধায় জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর সোনার ছেলেদের একটি ছেলে আত্মহত্যা করেছে। বড়ই সুসংবাদ! এ সংবাদ বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকলে প্রতিক্রিয়া কি হত, জানিনা। কিন্তু বর্তমান প্রশাসন বিশেষ করে মন্ত্রী পরিষদের একজন সদস্য বড় খুশি হয়েছেন, তাকে আর বিরক্ত করতে গাইবান্ধার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস আর ফিরে আসবেন না। (ইন্নাহ লিল্লাহ——রাজিউন) আল্লাহ্ আত্মহত্যা মহা পাপ, তাকে তুমি ক্ষমা করে বেহেস্ত নসীব করো আর যাদের অপমান তাচ্ছিল্য অপদস্তের কারনে ক্ষোভ দুঃখ হতাশায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসলিম হয়েও আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়, তাদের উপর তুমি গজব নাজিল করো। আমিন *************** এ সব নিউজ এখন আর মনটা পীড়া দেয়না। এখন এগুলো সাদা সিদা প্রতিদিনের সংবাদের মত। মুক্তিযোদ্ধা কথাটি বলতে যেনো এখন লজ্জা করে। এক সময় খুব বলতাম। খুব গর্বিত বোধ করতাম পাশাপাশি সন্মানও পেতাম।
এখন মনে হয় জামাতের চেয়ে জঘন্য যুদ্ধাপরাধী এই মুক্তিযোদ্ধা। ক্ষোদ আ’লীগ নেতা মন্ত্রীরাই মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করছে যে আ’লীগ স্বাধীনতায় নেতৃত্ব প্রদান করেছে। শুধু তাই নয়, জাতীয় পার্টি, জামাত ও বি এন পি’র ২১ বছরের দুঃশাসন ও পরবর্তী ২০০১-২০০৬ শাসনামলে আসল মুক্তিযোদ্ধাদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন অত্যাচার নাম কর্তন করে স্বাধীনতাকে যতটা কলুষিত কলঙ্কিত করেছে, তার চেয়ে দ্বিগুন অত্যাচার নিপীড়ন নির্যাতন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরী, সনদ ব্যবসা করেছে আ’লীগ।
এমন কি, আসল মুক্তিযোদ্ধাদের রাজাকার আল বদর আল শামস বানিয়েছে সেই ৭১ এর বঙ্গবন্ধুর আ’লীগ। আমরা ক’জন মুক্তিযোদ্ধা? মাত্র ২ থেকে ৩ লক্ষ মাত্র। অথচ এই হাতে গোনা ক’জন মুক্তিযোদ্ধার আসল তালিকা প্রণয়নে সম্পূর্ণ ব্যর্থ বিগত একটানা ১৬ বছর শাসন করা আ’লীগ। এখানে জামাত বি এন পি যে অপরাধ করেছে, তার চেয়ে ৪ গুন অপরাধ করেছে আ’লীগ নেতা মন্ত্রীরা। কেউ দেখবার নেই, কেউ শুনবার নেই। একজন শেখ হাসিনা দিয়ে দেশ চলেনা।
দেশের গোটা শাসন ব্যবস্থা, সমাজ, রাজনীতি আজ দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি লুন্ঠন মিথ্যাচার ভ্রস্টাচারে সমৃদ্ধ। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু বলতে গেলে ৭৪ সালে এই দুর্নীতিবাজ লুটেরাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার অপরাধেই স্বপরিবারে জীবন দিয়েছিলেন। জীবন দিয়েছিলেন জাতীয় ৪ নেতা এবং খুনি জিয়ার হাতে প্রাণ দিয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা। সূতরাং শেখ হাসিনা ঠিক গর্বিত পিতার মতই আদর্শ নীতি সততা দেখাতে গিয়ে আজ গণ ভবনে মূলতঃ একাকী স্বগৃহে বনবাসের মতই জীবন যাপন করছেন। দুর্নীতি পরায়ণ গোটা প্রশাসন সমাজ শেখ হাসিনাকে গৃহবন্দী করে দেশ শাসন করছে।
প্রতিবাদ নেই, আন্দোলন নেই, নেই কোন সাধারণ জনগণের রাজনীতি ও ভোটের প্রতি এত টুকু আগ্রহ। এর মূল কারনই হচ্ছে নেতা মন্ত্রী আমলা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার আধিকারিকদের সীমাহীন দুর্নীতি লুটপাট ও অরাজকতা।
Moktel Hossain Mukthi·Monday, August 5, 2019·Reading time: 1 minute6 ReadsRead more: https://muktishena71.webnode.com/ ইতিহাসের ঘৃণ্য কালো অধ্যায় ১৫ঈ আগস্টের মধ্যযূগীয় বর্বর হত্যাকান্ডের লাশ দেখে আমি পাগল হয়ে যাই। পিজি হাসপাতালে আমার ৩ মাস চিকিতসা চলে এবং সে তিন মাসের বেতন ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তন করে। এ কথা সকলেই জানেন।আমি ভারতের প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। আমার ঘরের সব কাগজপত্র আমার ভাইদের শিক্ষার সনদ, জমির দলিল দস্তাফেজ সমূহ সব মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ছিড়ে ফেলি। আমার পরিবারের সব আমি ধংস করে ফেলেছিলাম। ভুমি মন্ত্রনালয় তার প্রমান। আমি মন্ত্রীকে এসব কথা বলাতে আমাকে অপমান করতে পারেন না। আমি প্রবাসে থাকি। আমাকে আবেদনের সুযোগ না দিয়ে অপমান করার অধিকার মন্ত্রীর নাই। তিনি আমার দরখাস্ত গ্রহন করা ও না করার অধিকার রাখেন কিন্তু মেজর জেনারেল সুবিদ আলীর নির্দেশে আমাকে অপমান করতে পারেন না। তিনি আমার আবেদনে লিখেছেন “যেহেতু আবেদনকারী বহুবার দেশে এসেছিলেন এবং আবেদন করেন নি তাই তার আবেদন গ্রহন করা গেল না” তিনি মেজর জেনারেল সুবিদ আলীর শিখানো কথা মত বললেনঃ ৪৫ বছর পরে মুক্তিযোদ্ধা হতে এসেছে। বের করে দেন”। আমি মুক্তিযোদ্ধাই নই, একজন সক্রিয় আওয়ামি যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ ছাড়া আমার জীবনে অন্য কোন বিষয় কাজ করেনি এবং এ মুক্তিযুদ্ধ বংগবন্ধ ও আওয়ামী লীগই আমার ধ্যান ধারনা চিন্তা চেতনা আদর্শ এ কথা প্রমান করে আমার ৬০ হাজার প্রায় লীফলেটস, ব্যানার ও পোষ্টার এশিয়ায় ইন্টারনেট চালু হবার পর থেকেই কার বিনা প্ররোচনায় করে এসেছি। শুধু তাই নয় আমি ২০০ ওয়েব সাইট ও ব্লগ মেইনটেইন করি যা’শুধু যুদ্ধাপরাধী মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ সংক্রান্ত। এ সকল ছবি ও ব্লগ/ওয়েবসাইটগুলোই প্রমান করে যে আমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রীতিমত একজন বদ্ধ উন্মাদসম গবেষক। Just write my name on the google search engine where you’ll get real Identity of mine “write Moktel Hossain Mukthi or muktimusician. এ ছাড়াও আমি একজন একনিষ্ঠ অনলাইন আওয়ামী যোদ্ধা। মালদ্বীপের বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, মালদ্বীপের মাটিতে আমিই সর্ব প্রথম মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু এবং পাকিস্তানের ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জনসভায় বক্তৃতা প্রদান করে পাকিস্তান হাই কমিশনের মামলা খাওয়া একজন মালদ্বীপ সরকারের শিক্ষক। মন্ত্রী মহোদয় এ সব পরিচয় জানার পরেও বলেন নি যে আপনি বসেন বা কিছু বরং তাঁর আচার ব্যবহার এতই রুঢ় ছিল যা’ শিবির বা জামাতের কারো সাথে করছেন বলে অনুমেয়। আমার সাথে ভদ্র ভাষায় কথাও বলেন নি। এক পর্যায়ে জেনারেল সুবিদ আলীর কথায় তিনি আমাকে ঘাড় ধরে তাঁর কক্ষ থেকে বেড় করে দেয়ার কথা বলেন এবং অতঃপর………।। তিনি মন্ত্রী না হলে হয়তো সেখানেই কোন দুর্ঘটনা ঘটে যেতো। আমি আমার নিজেকে নিয়ন্ত্রন করে চলে আসি। আমার সহযোদ্ধারা এখনো অনেকেই বেচে আছেন। ড: গোলাপ আমার সাথের একই ক্যাম্পের যোদ্ধা। আওয়ামি যোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী সব সময় প্রচন্ড মিথ্যা কথা বলেন। যা’ মিডিয়া ও বক্তৃতায় বলেন, বাস্তবের সাথে তার কোন মিল নেই; তিনি যা বলেন সব মিথ্যা কথা মিথ্যা তথ্য। এখনো বহু আসল মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকাভুক্ত করতে পারেনি অথচ তিনি বক্তৃতায় ঘোষনা করলেন সকল জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের কথা রেকর্ড করা হবে। আসল অনেক মুক্তিযোদ্ধার নামই সংগ্রহ করতে পারেন নি-তিনি কিভাবে এ ঘোষনা প্রদান করেন? তার দেয়া সব তথ্য জাতিকে বিভক্ত করছে; মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কলঙ্কিত হচ্ছে। নতুন তালিকা প্রণয়নের নামে এগুলো প্রতারণা। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন। মিডিয়া, দেশবাসী এমন কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রতারণা করছেন । দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উপজেলা ও জেলাসমূহে যে দুর্নীতি চলছে, যে সনদ ও মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের নামে ব্যবসা বাণিজ্য শুরু হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের বিগত বছরগুলোর সকল সফলতা এমন কি মহান মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের যে অবদান সব মলিন হয়ে যাবে এই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীদের মত স্বজনপ্রীতি দুর্নীতি গ্রস্থ নেতা/কমান্ডারদের কারনে। কারন আপনি আদর্শিক কারনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষন ও মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করছেন। সমস্ত মন্ত্রী এম পি দের তৃনমূলের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। ক্ষমতা ও অর্থ সম্পদ শালী মধ্য শ্রেণীর নেতা যার মধ্যে অর্ধেকই প্রায় জামাত শিবির ও বি এন পি, তাদের সাথে তাল মিলিয়ে, হাত মিলিয়ে আমার মত পাগল ছাগল নিবেদিত ত্যাগি সৎ নিষ্ঠাবান অভিজ্ঞ উচিত কথাবলার প্রকৃত মুক্তিসেনাদের এভাবেই তারা অপমান তাচ্ছিল্য করে দূরে সরিয়ে রাখে। যে কারনে ছাত্রলীগের ছেলেদের সেনাবাহিনী নৌ বাহিনী বিমান বাহিনী পুলিশ বিজিবি ও অন্যান্য সরকারী ভালো পদে চাকুরী হয় না। কারন ওরা ত টাকা দিতে পারবে না। দলীয় ছাত্র লীগের ছেলেদের নিকট টাকা চাইতেও পারে না; যদি আবার নেত্রীকে বলে দেয় বা জানিয়ে দেয়। তাই গোপনে আওয়ামী লীগের নেত্রীর বিশ্বাসী নেতাগন গোপনে চাকুরী প্রদান করে, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তির সুপারিশ ও তদবীর করে জামাত বি এন পির ছেলে মেয়েদের । কারন টাকা পাওয়া যাবে। উত্তরা ও এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় আমার বাস। আমার জানা মতে ঠিক আমারই মত ত্যাগি জীবনবাজী রেখে নৌকার জন্য ভোট সংগ্রহ কারীর একটি মেয়েকে বঙ্গ মাতা স্কুলে ভর্তির জন্য কি না করেছে? মায়া ভাই পর্যন্ত বিষয়টি জানতেন। সে মেয়েটি সুযোগ পায়নি; দেখা গেছে-ঢাকা এয়ারপোর্ট ও বিমানে চাকুরীরত জামাত বি এন পির ছেলে মেয়েরা অজানা রহস্যের কারনে সবাই সুযোগ পেয়ে গিয়েছে। এর নাম স্বাধীনতা ? মুক্তিযুদ্ধ ? আওয়ামী লীগ ? এত সে বঙ্গবন্ধুর নৌকা ডুবানোর দুরদন্ত শয়তানী মাঝি খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, চাষী মাহবুবুল আলম, নূরুল ইসলাম, কে এম ওবায়দুর রহমান তাহের উদ্দিন ঠাকুরদের চেয়ে একটূ কম নয়। আমিই হলাম বাঙ্গালী জাতির মধ্যে সবচেয়ে কুলাঙ্গার। ধিক্রিত অবহেলিত লাঞ্ছিত মূর্খ বেয়াকুপ বেয়াক্কেল আহাম্মদ বোকা গাধা । না পারলাম প্রাণ খুলে হাসতে না পারলাম দুটি কন্যা সন্তানকে প্রাণ খুলে হাসতে। কি লাভ হল? এ স্বাধীনতায়? যে স্বাধীনতা আমার অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেয় না; সে স্বাধীনতাকে আমি কেন স্বীকৃতি দেব? রাষ্ট্রই যদি আমাকে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়, আমি কেন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবো? কেউ দেবে না। এটাই নিয়ম, এটাই লজিক। জানি আমি এতে হবো রাষ্ট্রদ্রোহী। তাও মন্দ কী? একটা কিছু ত হবো? আওয়ামী লীগের একজন মন্ত্রী একজন মুক্তিযোদ্ধাকে ঘাড় ধরে বেড় করে দেয়?? এ স্বাধীনতার অর্থ কী? কেন পেলাম? কি আশায় স্বাধীন হলাম? কিসের নেশায় নৌকা নৌকা মুজিব মুজিব করে জীবনের শেষ অবস্থানটুকুকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে নির্বাসিত হলাম এই দ্বীপ রাজ্য মালদ্বীপে । ভুল কোথায়? ভুল তো আছেই হয়তো জানিনা জীবনের কোথায় কোন সিদ্ধান্তে বড় রকমের ভুল ছিল। তাই ভুলের মাশুল দিয়ে গেলাম ৬৫ বছর বয়সের মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তি। 📷ভুল তথ্য দিচ্ছেন। এর সমাধান চাই। এর একটি পরিস্কার ব্যাখ্যা চাই; সত্যের জয় হবে; তাই চাই; জাতিরজনকের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ ক্ষমতায় থেকে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকদের নিয়ে রঙ তামাশা করবে; মুক্তিযোদ্ধা নির্ধারণের নামে ব্যবসা করবে, এর জন্য যুদ্ধে যাইনি, এর জন্য ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী শহীদ হয়নি; এর জন্য ২ লক্ষ ৪০ হাজার মা বোনের ইজ্জত হারায়নি। আসল মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাই করতে ব্যর্থ মোজাম্মেল হক। এই মিথ্যাচারের জন্য আল্লাহ্ বিচার করবেন রোজ হাসরের দিন। মহান আল্লাহর বিচারে কারো হাত নেই। আল্লাহর উপরে কোন মন্ত্রী নেই; আল্লাহর উপরে বিচারক নেই; রোজ হাসরের থেকে শক্তিশালী ক্ষমতাবান কোন আদালত নেই। বহু আসল মুক্তিযোদ্ধা এখনো তালিকার বাইরে এবং এ সমস্যা আগামী ১০০ বছরেও কোন সরকার সমাধান করতে পারবে না। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কথা রেকর্ড হবে । মন্ত্রী নিজেও জানে না যে উপজেলা জেলা গুলোতে এই তালিকা নিয়ে কি পরিমান টাকার ছাড়াছড়ি চলছে? কি পরিমান ব্যবসা করছে নব্য থানা কমান্ডারগণ। এমন কোন উপজেলা নেই যেখানে সত্যকারের মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়ে নাই এবং ভূয়া মিথ্যা তথ্য প্রদানকারী মন্ত্রীর ক্ষমতা বলে নয়তো এম পির ক্ষমতা বলে অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ক্ষমতা বলে নতুন তালিকায় নাম লিখিয়েছে। এমন প্রমান আমার গ্রামে আমার ইউনিয়নে রয়েছে। আমি ত অন্যের ক্কথা শূনে এ সব লিখিনি ভাই।ফুরিয়ে যাচ্ছে ৭১ এর সোনার ছেলে মেয়েরা, বেচে থাকবে শুধু ৭১ এ জন্ম নেয়া নব্য মুক্তিযোদ্ধারা, যারা লক্ষ টাকায় মুক্তিযুদ্ধের সনদ কিনে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে। আমরা মুজিবনগরে (ভারতে) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এর চেয়ে বড় পরিচয়ের প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ডঃ আব্দুস সোবহান গোলাপ ভারতের চাদপাড়া এবং পরবর্তীতে ব্যারাকপুর মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ শিবিরে প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা এবং আমরাও একই সময়ে একই শিবিরে একই কমান্ডারের অধীন প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা। ডঃ আব্দুস সোবহান গোলাপের নাম যদি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তালিকায় থাকতে পারে, তবে আমাদের নাম থাকবে না কেন? শুধু আমরা নই, সারা বাংলাদেশে বহু অখ্যাত অপরিচিত অশিক্ষিত অজো পাড়া গায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বহু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম এখনো তালিকাভুক্ত হয়নি। বহু মুক্তিযোদ্ধা ইতোমধ্যেই পরলোকগমন করেছেন, কোন স্বীকৃতি ও সুযোগ সুবিধা ভোগ না করেই তারা চলে গেছেন বাঙ্গালী জাতিকে মহান স্বাধীনতা প্রদান করে। তাদের নাম কে তালিকাভুক্ত করবে? কেন একটি সঠিক তদন্ত কমিটি কর্তৃক সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা হয়নি? এ প্রশ্ন সরকার ও দেশবাসীর কাছে। আমরা মনে করি মহান মুক্তিযুদ্ধের নেত্রিত্বদানকারী দল হিসেবে জাতিরজনক বংগবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকারের এ মহান দায়িত্ব মুক্তিযোদ্ধাদের জীবদ্ধশায় সম্পন্ন করা উচিত। সবাই শেয়ার করুন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সত্যিকারে শ্রদ্ধা থাকে। আমার সার্টিফিকেট দরকার নাই। কোন ভাতার দরকার নাই। আপনি মুসলমান দাবী করলে আমি কেন করবো না? আমিও তো নামাজ পড়ি? মন্ত্রী আমাকে অপমান করতে পারে না। তার চেয়ে আওয়ামী লীগের জন্য আমার অবদান সেই ৬৯ থেকে অদ্যাবধি তিল পরিমান কম নয়; বঙ্গবন্ধু আমাকে চাকুরী দিয়েছিলেন সচিবালয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। অমুক্তিযোদ্ধা ভাতা পায় এবং তা আওয়ামী লীগের আমলে এবং আওয়ামী লীগের মন্ত্রীর স্বাক্ষরে কেন? আমার কি ইচ্ছে করে না যে আমার সন্তান মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হোক। আমার সন্তানের কি ইচ্ছে করে না, তার বাবা মুক্কতিযোদ্ধা এ কথা অন্য দশজনের নিকট বলে গৌরব বোধ করতে? মন্ত্রীর ইচ্ছে মত চলতে পারে না; এ সব তথ্য নেত্রীর জানা দরকার। নিবেদক – মোকতেল হোসেন মুক্তি, কন্ঠশিল্পী মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সময়৭১। মালদ্বীপ আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মালদ্বীপ শাখা সাধারণ সম্পাদক মালদ্বীপস্থ প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন সুরকার গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক সঙ্গীত শিক্ষক জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি বিশেষ্য বিশেষন দিয়ে তোষামোদি করতে জানিনা। তাই সরাসরি আমার কিছু না বলা কথা এবং কিছু হতভাগা মুক্তিযোদ্ধাদের করুন ইতিহাস আপনার সদয় অবগতির জন্য মিডিয়ার সাহায্য নিতে বাধ্য হলাম।আপা, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। মুজিবনগরে প্রশিক্ষণ নেয়া যোদ্ধা। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ২রা মার্চ জাতিরজনক বংগবন্ধু/বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজুদ্দিন আহমেদ একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই ১০ মিনিটের নির্দেশে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চাকুরী প্রদান করেছিলেন। ৭ দিন কি ৮ দিন পায়ে হেটে না খেয়ে মুজিবনগরে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলাম একটি স্বাধীন সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নেশায়।
এ নেশা সাড়ে সাত কোটি মানুষের রক্তে মাংসে অস্তিত্বে মগজে সেলের মত বিধেছিল ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ “পশ্চিমা হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাংলাকে মুক্ত করতে হবে” জাতিরজনকের এই উদাত্ত আহবানে সারা দেয়া কী ভুল সিদ্ধান্ত ছিল? তাই আমি মুক্তিযোদ্ধা। নামবিহীন অস্তিত্ববিহীন মুক্তিযোদ্ধা! নাম বদলে দিলাম। মোঃ মোকতেল হোসেন থেকে নাম বদলে হয়ে গেলাম মোকতেল হোসেন মুক্তি। পরবর্তীতে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু ১৩ই এপ্রিল ১৯৭২ সালে মন্ত্রী পরিষদ গঠন করে প্রধানমন্ত্রী হলে মাদারীপুরের কৃতি সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক খাদ্যমন্ত্রী প্রয়াত ফনি ভূষন মজুমদারের অনুস্বাক্ষরে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবীল থেকে এক হাজার টাকার অনুমোদন (মাদারীপুর মহকুমা প্রশাসক অফিসে) এবং ৩ বান ঢেউ টিন প্রদান করেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের রেকর্ডে একজন মুক্তিযোদ্ধার কোটায় আমার চাকুরী হয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের সচিবালয়ে আমিই ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী ছিলাম। আমার ডিউটি ছিল জননেত্রী শেখ হাসিনার ফুফা, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি, সাবেক চীপ হুইপ আলহাজ্ব হাসনাত আব্দুল্লাহ সেরনিয়াবাত এর গর্বিত পিতা, যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনি ভাইয়ের শ্বশুর, সাংসদ ব্যারিষ্ঠার তাপসের নানা সাবেক কৃষক লীগের সভাপতি ভুমি মন্ত্রী ও পরবর্তীতে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায়।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২০ শেষ হলো। বাংলা ও বাঙালীর দুর্জয় আনন্দের দিন, অনন্য সাধারণ অর্জনের একটি দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গর্জে উঠেছিলেন বাংলার শার্দূল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী আপামর জনসাধারণের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। ১০ লক্ষ জনতার সমুদ্রে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ” আর যদি একটা গুলি চলে তবে বাংলার মানুষ রুখে দাঁড়াবে। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, বাংলার মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনসাআল্লাহ্।” সেদিনকার সেই বজ্রকঠিন ঘোষণাটি ছিল অলিখিত একটি ভাষণ। ১৯৭০ এর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করলো আওয়ামী লীগ। সেই নির্বাচনে যুব থেকে বৃদ্ধ সাধারণ থেকে প্রতিবন্ধি প্রতিটি ভোটার স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচন কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বকে সম্মান জানিয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাদের গভীর আস্থা জ্ঞাপন করেছিল। কিন্তু পাকিস্তানী জান্তা জনতার এ স্বতঃস্ফূর্ত রায় মেনে নিতে পারে নি। তারা ক্ষমতা বাংলার রাখাল রাজার হাতে ছেড়ে দিতে চায় নি। তাই মিটিং-এর নামে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর করে যাচ্ছিল। পুর্ব পাকিস্তান তখন ছাই চাপা আগুনের মতো গনগন করছে। শেখ মুজিবের একটি নির্দেশের অপেক্ষায় অধীর আগ্রহী জনগণ। অপরদিকে প্রতিপক্ষ আছে শেখ মুজিব একটি ভুল করবে, একটি ভুল নির্দেশনা দেবে প্রতীক্ষায়। তাহলেই দেশদ্রোহিতার অপরাধে জেল জুলুম নির্যাতন ও ফাঁসি দেয়ার রাস্তা অবারিত হয়ে যাবে। শেখ মুজিব তাঁর চিরদিনের সুখ দুঃখের সাথী বেগম মুজিবকে জিজ্ঞেস করলেন,” কি করবো আমি?” বেগম মুজিব বললেন,” তুমি সাহসী, বুদ্ধিমান। তোমার বিবেচনা বোধ জাগ্রত। তাই তুমি তোমার বুদ্ধিমত্তা দিয়েই কথা বলবে, নির্দেশনা দেবে।” সেদিনের সেই অলিখিত তাৎক্ষণিক ভাষণটি হয়ে গেল একটি কবিতা, একটি জাতির মুক্তির বারতা, একটি ঐতিহাসিক দলিল যা স্বীকৃতি পেলো ইউনেস্কোর প্রামাণিক দলিল হিসাবে।
১৯৭১ সালের এই দিনে আমি ছিলাম যশোর শহরের পুরাতন কসবা কাজী পাড়ায় আমার আব্বার মামা কাজি আয়নাল হকের বাড়ি। এই বাড়িতে থেকেই লেখাপড়া করি। আমি যশোর সেবা সংঘ গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলাম। আমি তখন এস এস সি পরীক্ষার্থী। ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে পরীক্ষা। স্কুল আয়োজিত বিশেষ কোচিং ক্লাশ শেষ হয়েছে।
আমার জন্ম এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে। অল্প বয়সে পিতৃহারা বাবা ২য় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। আমার দাদা যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন আমার আব্বা মাত্র ১৪ বছরের। আমার আব্বা সবার বড়। তার ছোট আরও ৫টা ভাই বোন। তাদের দায়িত্ব এসে পড়লো আমার আব্বার ওপর। তিনি পড়ালেখা ছেড়ে চাকরি করতে গেলেন। যোগ দিলেন বৃটিশ সেনাবাহিনীতে। বৃটিশ সেনা হিসাবে তিনি ২য় বিশ্বযুদ্ধে তৎকালীন বার্মা মুলুকের রাজধানী রেঙ্গুনে অংশ নিলেন। যুদ্ধ শেষে ফিরে এসে যোগ দিয়েছিলেন সিভিল সাপ্লাইতে। এই সময় আমার মার সাথে তাঁর বিয়ে হয়।
আমার মাতৃহারা মা ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছিলেন। দুজনেই সাহিত্যিক ছিলেন। দু’জনে দু’জনের কাছে সে কি লম্বা লম্বা চিঠি লিখতেন। লেখার ভাষা ছিল প্রাঞ্জল সুপাঠ্য সরল। মনে হয় সেদিন যদি চিঠিগুলো সংরক্ষণ করতাম, তাহলে হয়তো বা আজ সেগুলো সাহিত্যের মর্যাদা পেত। যাহোক বিয়ের ৫ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও আমার মার সন্তান হচ্ছিল না। ফলে একটা সন্তানের জন্য তাঁরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। ১৯৫৪ সালে আমার আব্বা তখন কুষ্টিয়ার মেহেরপুরে চাকরি করছেন। মাও আব্বার সাথে আছেন। যে বাসায় থাকতেন তার সামনেই ছিল মিশনারী হাসপাতাল। আমার মাকে পরীক্ষা করতে নিয়ে যাওয়া হলো। ডাক্তার পরীক্ষা করে দেখলেন তিনি সন্তান সম্ভবা, অর্থাৎ মায়ের গর্ভে আমার আগমন ঘটেছে। ১০ মাস ১০ দিন পর আমি ভুমিষ্ঠ হলাম।
আমি মেয়ে। সে সময় বাবা-মা মেয়ে সন্তানকে খুশি মনে গ্রহণ করতে পারত না। আমার সৌভাগ্য যে আমার মা বাবা আমাকে মেয়ে হিসাবে নয় সন্তান হিসাবে গ্রহণ করলেন। একজন ছেলেকে যে ভাবে আদর করা হয়, যত্ন করা হয়, ভালবাসা হয়, তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা হয় ঠিক তেমনি ভাবেই আমার মুক্তচিন্তার আলোকিত বাবা-মা আমাকে আদর করলেন, যত্ন করলেন, ভালবাসলেন, আমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখলেন যে আমাকে লেখাপড়া শেখাবেন, ডাক্তার বানাবেন, সম্পদ ব্যক্তিতে পরিণত করবেন। আমি বড় হতে লাগলাম। আর দশটা সাধারণ মেয়ে যেমন পরিবার এবং সমাজের নিয়ম কানুনের বেড়াজালে বড় হয়, আমার আলোকিত পরিবার আমাকে তেমন কোন নিয়ম কানুন নিষেধের বেড়াজালে বদ্ধ করেননি। তাই আমি সত্যিই সৌভাগ্যবতী যে ছোট্টবেলা থেকে স্বাধীন ভাবে বেড়ে উঠেছি।
আমি আমার জীবনের এই ছোট্ট গল্পটি বললাম পাঠককে আমার বড় হওয়া, চিন্তার স্বাধীনতা, কাজের স্বাধীনতা কেমন ছিল তা জানাতে। এই জন্য সেই ছোট্ট বেলায় কিশোরী বয়সে রাজনীতিতে আমার প্রবেশ খুব সহজ ছিল। যদিও আমার আব্বার মামা অর্থাৎ আমার দাদা আমার রাজনীতিতে অংশগ্রহণ পছন্দ করতেন না, তারপরেও আমি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করি। যখন আমি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তখন যশোর জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক জনাব রবিউল আলম আমাকে ছাত্রলীগের সদস্য করে নিলেন। আমি তখন পাকিস্তানীদের শোষণ বঞ্চনার কথা অত শত বুঝিনা। তবে নতুন কোন কাজ, মানুষকে সংগঠিত করা, সমাজসেবা এগুলো আমাকে খুব টানতো। রবিউল ভাই এবং সালেহা আপার সস্নেহ আচরণ আমার ভাল লাগতো, তাই তাদের সাথে বিভিন্ন মিছিল মিটিং-এ অংশ নিতাম। এভাবে কাজ করতে করতে কখন যেন একজন সক্রিয় কর্মী হয়ে গেলাম বুঝতে পারিনি। ১৯৬৯ এর গণ আন্দোলন, ৭০-এর উড়িরচরে ঝড়ে ভুক্তভোগীদের জন্য ত্রাণ সংগ্রহ, নির্বাচনে প্রচারণা, নির্বাচনের দিন আমাদের আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জনাব আতর আলীর পোলিং এজেন্ট হিসাবে কাজ করা, নির্বাচন পরবর্তী বিজয়ী প্রার্থী পক্ষে বিজয় মিছিলে অংশগ্রহণ ইত্যাদি কাজগুলো স্বতঃস্ফুর্তভাবে করতাম।
সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছে। আমাদের সকলের সে কি উচ্ছাস। আমরা জিতেছি। এবার পাকিস্তানের সামরিক শাসক পূর্ব পাকিস্তানকে স্বায়ত্ব শাসন দেবে। সারা দেশের মতো যশোর শহরেও মিটিং মিছিল পিকেটিং চলছে। আমিও সেসব মিটিং মিছিল পিকেটিং-এ অংশ নিচ্ছি। পাকিস্তান সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য গড়িমসি করছে। আর পূর্ব পাকিস্তানের সাড়ে সাত কোটি জনগণ ফুঁসে উঠছে। শেখ মুজিব অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিলেন। তিনি হয়ে গেলেন পূর্ব পাকিস্তানের অঘোষিত রাজা। তিনি বলছেন গাড়ির চাকা ঘুরবে না, গাড়ির চাকা ঘুরছে না। তিনি বলছেন অফিস আদালত খুলবে না। অফিস আদালত খুলছে না। রাজপথ জনপথ চায়ের দোকানে, ঘরে ঘরে, হাটে বাজারে সব জায়গায় একই আলোচনা, একই উৎকণ্ঠা, কি হবে দেশের! ইয়াহিয়া কি ক্ষমতা হস্তান্তর করবে! ইয়াহিয়া যদি ক্ষমতা হস্তান্তর না করে তাহলে সশস্ত্র যুদ্ধের বিকল্প নেই। ছাত্রলীগের কর্মীরা সিদ্ধান্ত নিলো সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার। তার জন্য প্রয়োজন বন্দুক চালনা শেখা। যশোরে চিরুণী কল চত্ত্বরে খুবই গোপনে অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ শুরু হলো। সেই প্রশিক্ষণে মমতাজ আপা, সালেহা আপা, সাথী আপা সহ অন্যদের সাথে আমিও অংশ নিলাম। আমার দাদা অর্থাৎ আব্বার মামা কাজি আয়নাল হক আমার প্রতিদিনের মিটিং মিছিল হরতাল অবরোধে অংশ নেয়া একদম পছন্দ করছেন না। আমার ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন গ্রামের বাড়ি যেয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে। আমিও গ্রামের বাড়িতে যাব যাব করছি, কিন্তু যেতে মন চাইছে না।
ইতোমধ্যে ৩রা মার্চ সকাল থেকে মিছিল হচ্ছে। একটা মিছিল যশোর চৌরাস্তা থেকে শুরু হয়ে রেল রোড হয়ে টেলিফোন ভবনের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করছিল। অপর একটি মিছিল এম এম কলেজ থেকে বের হয়ে এসপি অফিস পুলিশ ব্যারাকের সামনে দিয়ে গরীব পীর সাহেবের মাজার হয়ে কালেক্টরেট ভবনের সামনে দিয়ে দড়াটানার দিকে যাচ্ছিল। অন্য আর একটি রাস্তায় অপর একটি মিছিল বের হয়েছে। যশোর শহর যেন মিছিলের শহরে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে সংবাদ এলো টেলিফোন ভবনের সামনে গুলি হয়েছে। একজন নারী মারা গেছেন। এ খবরে সকলে আরও বেশি মারমুখি হয়ে উঠলো। জোরেসোরে পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রস্তুতি শুরু হলো। এর মধ্যে ঘোষণা হলো ৭ই মার্চ রমনা রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেবেন।
আমাদের অনেকেই এই ভাষণ শুনতে ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিলো। কিন্তু আমি ছোট মানুষ। আমার ঢাকা যাওয়ার সাহস নেই, সঙ্গীও নেই। বাড়ি থেকে অনুমতি দেবে না। অগত্যা যশোর বসেই ভাষণ শুনবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। তখন তো এখনকার মতো এত টেলিভিশন চ্যানেল ছিল না। বাড়ি বাড়ি টেলিভিশনও ছিল না। রেডিও-র ওপরেই বেশি ভরসা। ৭ তারিখ সকালে শোনা গেল, মুজিবের ভাষণ রেডিও টিলিভিশনে সম্প্রচার করা হবে না। আমরা সকলে হতাশ হয়ে পড়লাম। সেদিন আমরা সরাসরি শেখ মুজিবের ভাষণ শুনতে পাইনি। বাংলাদেশের মানুষের চাপে নতি শিকার করে পরদিন অর্থাৎ ৮ই মার্চ সেই ভাষণ রেডিও এবং টেলিভিশনে সম্প্রচার হলো। তখন আমরা সেই ভাষণ শুনলাম। ভাষণ শোনা শেষে আমার দাদা আমাকে আর যশোর শহরে থাকতে দিলেন না। আমি গ্রামের বাড়িতে আমার মা বাবার কাছে চলে গেলাম।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি বিশেষ্য বিশেষন দিয়ে তোষামোদি করতে জানিনা। তাই সরাসরি আমার কিছু না বলা কথা এবং কিছু হতভাগা মুক্তিযোদ্ধাদের করুন ইতিহাস আপনার সদয় অবগতির জন্য মিডিয়ার সাহায্য নিতে বাধ্য হলাম।আপা, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। মুজিবনগরে প্রশিক্ষণ নেয়া যোদ্ধা। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ২রা মার্চ জাতিরজনক বংগবন্ধু/বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজুদ্দিন আহমেদ একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই ১০ মিনিটের নির্দেশে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চাকুরী প্রদান করেছিলেন। ৭ দিন কি ৮ দিন পায়ে হেটে না খেয়ে মুজিবনগরে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলাম একটি স্বাধীন সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নেশায়।
এ নেশা সাড়ে সাত কোটি মানুষের রক্তে মাংসে অস্তিত্বে মগজে সেলের মত বিধেছিল ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ “পশ্চিমা হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাংলাকে মুক্ত করতে হবে” জাতিরজনকের এই উদাত্ত আহবানে সারা দেয়া কী ভুল সিদ্ধান্ত ছিল? তাই আমি মুক্তিযোদ্ধা। নামবিহীন অস্তিত্ববিহীন মুক্তিযোদ্ধা! নাম বদলে দিলাম। মোঃ মোকতেল হোসেন থেকে নাম বদলে হয়ে গেলাম মোকতেল হোসেন মুক্তি। পরবর্তীতে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু ১৩ই এপ্রিল ১৯৭২ সালে মন্ত্রী পরিষদ গঠন করে প্রধানমন্ত্রী হলে মাদারীপুরের কৃতি সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক খাদ্যমন্ত্রী প্রয়াত ফনি ভূষন মজুমদারের অনুস্বাক্ষরে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবীল থেকে এক হাজার টাকার অনুমোদন (মাদারীপুর মহকুমা প্রশাসক অফিসে) এবং ৩ বান ঢেউ টিন প্রদান করেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের রেকর্ডে একজন মুক্তিযোদ্ধার কোটায় আমার চাকুরী হয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের সচিবালয়ে আমিই ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী ছিলাম। আমার ডিউটি ছিল জননেত্রী শেখ হাসিনার ফুফা, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি, সাবেক চীপ হুইপ আলহাজ্ব হাসনাত আব্দুল্লাহ সেরনিয়াবাত এর গর্বিত পিতা, যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনি ভাইয়ের শ্বশুর, সাংসদ ব্যারিষ্ঠার তাপসের নানা সাবেক কৃষক লীগের সভাপতি ভুমি মন্ত্রী ও পরবর্তীতে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায়।
ওদের রুখে দাঁড়ান এখনই – এই মুহূর্তে নারী নীতিমালার বিরোধী মৌলবাদীদের রুখে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে নারী সমাজ। একই আমিনীকে গ্রেফতার দাবি
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের জন্য ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান এবং ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির আমির ফজলুল হক আমিনীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। আমিনী শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সমাবেশে বাংলাদেশে ২০ হাজার মাদ্রাসা রয়েছে উলেস্নখ করে বলেন, তার ডাকের সঙ্গে সঙ্গে তারা সাড়া দেবে এবং এক ঘণ্টার নোটিসে দেশ অচল করে দিতে পারে। আমিনীর এই হুমকির জবাবে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি শনিবার বাসসকে বলেন, আমিনীরা ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্ম এবং মাদ্রাসাকে ব্যবহার করছেন। তিনি বলেন, আমিনী ধর্মের কথা বলে কোমলমতি মাদ্রাসার শিশুদের বিপথে চালু করছেন। এতে পুরো মাদ্রাসা শিৰা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। খবর বাসস’র।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ২০ হাজার মাদ্রাসা আমিনীর অধীনস্থ কোন প্রতিষ্ঠান নয়। এগুলো জনগণ এবং রাষ্ট্রের। মাদ্রাসা শিৰার জন্য বর্তমান মহাজোট সরকার যেসব পদৰেপ নিয়েছে তাতে তিনি আশা করেন, শিক্ষার্থীরাই ধর্মের অপব্যবহারকে প্রতিহত করবে এবং আমিনীর ডাকে সাড়া দেবে না। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, আমিনী এমন একটা দল করেন যা সাংগঠনিকভাবে অবৈধ।
সংবিধানের ৩৮ নম্বর ধারায় কোন ব্যক্তির ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল করার অধিকার নেই উলেস্নখ করে তিনি বলেন, আমিনীর দলের অফিস এখনও কেন তাকে তালাবদ্ধ করা হচ্ছে না এবং সংবিধান লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর জন্য এখনও কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না সেটাই জনগণের প্রশ্ন। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, মাদ্রাসার ছাত্ররাও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ছিল। সেই সময়ও স্বাধীনতা বিরোধীরা তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল।
তিনি বলেন, একাত্তরে তাদের সেই ষড়যন্ত্র যেমন ব্যর্থ হয়েছিল এখনও তা হবে। তবে এ ব্যাপারে একাত্তরের মতো দলমত নির্বিশেষে সমসত্ম দেশবাসীকে আবারও রাজপথে নামতে হবে বলে তিনি উলেস্নখ করেন। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম আমিনীর এই বক্তব্যকে দুঃসাহস বললেও কম বলা হবে উলেস্নখ করে তার গ্রেফতারের দাবি জানান। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমিনীরা এ ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০ হাজার মাদ্রাসার মালিক জনগণ, সামপ্রদায়িক ধর্ম ব্যবসায়ী আমিনীরা নয়। আমিনীর নামের আগে মাওলানা শব্দটি বাদ দেয়া উচিত উলেস্নখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, যারা এভাবে রাষ্ট্রের বিরম্নদ্ধে হুমকি-ধমকি দেয় এবং অগণতান্ত্রিক এবং সামপ্রদায়িক কথা বলে তাদের জেলে রাখা উচিত। তিনি আমিনীর এই হুমকি-ধমকিকে ফাঁকা আওয়াজ বলে উলেস্নখ করেন। রাজাকার নিধনের সঙ্গে সঙ্গে দেশ থেকে ধর্মব্যবসায়ী ও জঙ্গীবাদকে উৎখাত করার প্রত্যয় ঘোষণা করেন তাঁরা। রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচী থেকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী নেতৃত্বরা এই ঘোষণা দেন। সাংসদ নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, পান্না কায়ছার, এ্যাডভোকেট তারানা হালিম, মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম, সাংসদ আমেনা বেগম, মেহের আফরাজ চুমকি, সাগুপ্তা ইয়াসমীন এমিলি, জোবেদা খাতুন, মহিলা লীগের ফারম্নল আক্তার প্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার শত শত নারী মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন। নারীনীতির বিরোধিতাকারীদের ধিক্কার জানিয়ে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মকে নিজের করে নিয়েছে। তারা ধর্মকে ব্যবসা হিসেবে নিয়ে নারীদের বিরম্নদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ফতোয়া দিয়ে তাদের ঘরে বন্দী করে নির্যাতন করতে চায়। নারীনীতির বিরম্নদ্ধে হরতালের ডাক দেয়া ইসলামী ঐক্যজোটের আমীর মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে উদ্দেশ করে সাজেদা চৌধুরী বলেন, মৌলবাদীর ডাকা হরতালকে দেশের মানুষ প্রতিহত করবে। কারণ তিনি যে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে দেশে জঙ্গী সৃষ্টি করছেন তা দেশের মানুষ জানে। সাজেদা চৌধুরী বলেন, এই সরকার সব সময় নারী উন্নয়নে কাজ করে। যে জন্য সরকারে থেকেও আজকে আমাদের পথে দাঁড়াতে হয়েছে। আমিনীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আমিনী যেভাবে ধর্মের দোহাই দেন সেভাবে মনে হয় তিনি ধর্মকে দখল করে নিয়েছেন। অন্য বক্তারা বলেন, আমিনীর ঢাকা হরতালকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নারীরা প্রতিহত করবে। একই সঙ্গে ফতোয়াবাজদের রম্নখে দেবে নারীরা। বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে তাঁরা বলেন, একজন নারী হয়ে তিনি কিভাবে নারী আইনের বিরম্নদ্ধে হরতাল দিয়েছেন দেশের নারী সমাজের কাছে তা বোধগম্য নয়। এ সময় বক্তারা খালেদা জিয়াকে দেশের ও নারীদের শত্রম্ন আখ্যা দিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালে যে সকল স্বাধীনতাবিরোধীরা নারীদের নির্বিচারে নির্যাতন করেছে তিনি তাদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। সেই চিহ্নিত ধর্ষণকারীদের সঙ্গে এক টেবিলে বসেন। এটা নারী জাতির জন্য কলঙ্কজনক। নারী নেতৃবৃন্দ বলেন, হরতাল আহ্বানকারীরা হরতাল সফল হওয়ার যে স্বপ্ন দেখছেন তা কখনও সফল হবে না। বরং মানুষ হরতালে থুথু নিক্ষেপ করবে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতে জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীদের মদদ দিয়ে মাঠে নামাচ্ছে ইসলামী ব্যাংক, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও ও বিভিন্ন ইসলামী নামের সংগঠন। সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালিয়ে তৎপরতা চালাচ্ছে তারা। শনিবার রাজধানীতে গ্রেফতার হওয়া ১৭ শিবির ও জঙ্গীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা।
শনিবার ঢাকার কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে জড়ো হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে মিছিল করার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় গ্রেফতার হয় ১৭ শিবির-জঙ্গী। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে জড়ো হয়ে অর্ধশতাধিক শিবির ও জঙ্গী যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে সেস্নাগানসহ মিছিল করার সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ বেধে যায়। শিবির ও জঙ্গীরা ভাংচুর, লুটপাট ও পুলিশকে লৰ্য করে ইটপাটকেল নিৰেপ করার সময় ১৭ শিবির ও জঙ্গীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বানচাল ছাড়াও জঙ্গীদের সংগঠিত করে রাজধানী ঢাকা-ঢাকার বাইরে বড় ধরনের নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর নীল-নকশার কথা জানতে পেরেছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা।
এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতারের পর তাদের মুক্তির দাবিতে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামানো খোদ ঢাকা থেকেই অনত্মত ৪০ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে শক্তিশালী বোমা। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, বিভিন্নস্থানে যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গীদের নিয়ে জামায়াত ক্যাডাররা ব্যাপক বোমাবাজি, গ্রেনেড হামলা ও স্পর্শকাতর স্থানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজধানীর আরামবাগের জামায়াত-শিবিরের মেসের পাশ থেকে র্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪টি শক্তিশালী হাত বোমা উদ্ধার করেছে। মতিঝিল থানায় এই ব্যাপারে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। কুষ্টিয়ায় দুই জামায়াত নেতাকে শক্তিশালী হাতবোমাসহ গ্রেফতার করা হয়।
জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীরা এর আগে গত বছর পল্টন ও কাকরাইল এলাকায় জঙ্গী মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নিয়ে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল দিয়ে চোরাগুপ্তা হামলা চালায় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশ ১১ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ১১ জামায়াত_শিবির ও জঙ্গী সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা গুরম্নত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পায়।
গত বছর গ্রেফতার করা হয় ২৫ জামায়াত_শিবির ও জঙ্গীকে। জামায়াতের পলাতক সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আবদুলস্নাহ মোহাম্মদ তাহের নির্দেশ ও উস্কানি দিয়ে মাঠে নামায় তাদের। যুদ্ধাপরাধীর বিচারপ্রক্রিয়া বানচাল ও আটক শীর্ষ জামায়াত নেতাদের মুক্তির জন্য নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা। জামায়াত_শিবিরের গ্রেফতারকৃত ২৫ কর্মী-ক্যাডারকে জিজ্ঞাসাবাদ, অনুসন্ধান ও তদনত্মে এই ধরনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। জামায়াতের সাবেক এমপি ডা. আবদুলস্নাহ তাহের জাতীয় প্রেসক্লাবে গত ৪ আগস্ট গোলটেবিল বৈঠকে বলেছিলেন, তাদের রিজার্ভ ফোর্স রেডি আছে। যে কোন সময়ে তারা মাঠে নামবে। তারপর জামায়াত_শিবিরের ২৫ ক্যাডার একত্রিত হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নেয়ার সময়ে গ্রেফতার হয়। পুলিশ ও গোয়েন্দারা পলাতক জামায়ায় নেতার বক্তব্যের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের মাঠে নামার সম্পৃক্ততার সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছে।
এর আগে রাজধানীর শাহআলী থানাধীন উত্তর বিশালের বাড়ি থেকে জঙ্গী ও জামায়াত_শিবির ক্যাডারদের আসত্মানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরকদ্রব্য ও জিহাদী বই। গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার রতনপুর থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুলস্নাহ জায়েদ বিন ছাবিদকে গ্রেফতার করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, জামায়াত_শিবির সংগঠিত হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। অস্ত্র ও গোলাবারম্নদ মজুদের চেষ্টা করে যাচ্ছে।
গোয়েন্দা ও পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, জামায়াতের সাবেক এমপি ডা. তাহের ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতিকে গ্রেফতারের জন্য মগবাজার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়। তাদের গ্রেফতার করা যায়নি। আত্মগোপনে থেকে তারা যুদ্ধাপরাধী, শিবির ও জঙ্গীদের সংগঠিত করে নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর উস্কানি ও নির্দেশ দিচ্ছে। জামায়াত_শিবিরের রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যরা এখন নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর কৌশল গ্রহণ করেছে বলে বিভিন্ন সময়ে জামায়াত_শিবির ও জঙ্গী সদস্যরা গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে গুরম্নত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। শনিবার রাজধানী ঢাকার কাকরাইল এলাকায় যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে মিছিল করার সময়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার সময় গ্রেফতারকৃত ১৭ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ১৭ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর তথ্য পাওয়া গেছে।
শতাধিক যান ভাংচুর ॥ রিক্সাওয়ালাদের আকস্মিক তাণ্ডব !!
০ কয়েক এলাকায় রিক্সা চলাচল বন্ধ ও অবৈধ রিক্সা আটকের প্রতিবাদ
০ পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ
০ যানজট দুর্ভোগ দোকানপাট বন্ধ
০ ব্যাটারিচালিত রিক্সাচালকদের মারধর
০ আহত ১০, আটক ১০
রাজধানীকে যানজটমুক্ত করতে অবৈধ রিক্সা উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে এবং বিভিন্ন সড়কে রিক্সা চলাচল বন্ধের প্রতিবাদে ঢাকায় রিঙ্াচালকরা শতাধিক যান ভাংচুর করেছে। এ সময় রিক্সাচালকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রৰাকারী বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অনত্মত ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ১০ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা প্রকৃত পৰে রিক্সাাচালক কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
sterday sought cooperation from the women community to implement the newly formulated National Women Development Policy. A certain quarter is misleading the common people by spreading false campaign against the policy, she said while addressing a public meeting at the BA College ground in the afternoon. Hasina said that Awami Legaue (AL) had never gone against the holy Quran and Sunnah and will never do so in the future. “Let me assure you, AL will never go against the holy Quran and Sunnah,” she said.
The prime minister said those who
always wanted to keep the women at the backyard are now talking against the women development policy. “Please help me to implement the women policy for the overall development of women,” she told the meeting. Hasina mentioned that the present government is in power to improve the overall condition of the count
ry. “You’ve voted us to power to bring about a change. We won’t stop our activities before developing the whole country and its people,” she said.
Responding to opposition leader Khaleda Zia’s allegation about the constitution, the PM said the country is being run under the constitution. Major Zia grabbed power illegally violating the Constitution and formed the BNP, she said. “It is regretful that you (Khaleda) are now talking about the constitution. There is nothing to worry about the constitution. The country is running according to the constitution.” Hasina said, “Khaleda Zia is now out of her mind as she can’t make money illegally as in the past.” Abou
t food price hike, she said the present government has taken all necessary steps to ease the public sufferings caused by the price-hike of food. “We’ll ensure that none suffers due to the food price hike.” She said the government has been selling rice and other essentials through OMS across the country to provide essential food items at subsidised prices. The premier said that the previous BNP-led 4-party alliance government had “failed to produce even a single MW of electricity” during its five-year rule.
“But, we’ve already added more than 2,000MW electricity to the national grid,” she said adding that after 2012, sufferings of the people would be alleviated. Referring to Khaleda’s remarks, Hasina said nowadays the opposition leader has become obsessed to say that the government has failed. “Compare your rule with ours; you’ll see who failed to serve the country.” She also alleged that the last time the BNP-Jamaat government had grabbed huge amount of money in the name of providing electricity. The government has already provided maximum facilities to farmers for the development of the agriculture sector, she said.
“We are here to serve you; no one will be able to detract us from that mission. All of us are merely your servants. You voted us to serve you. And we’ll be doing it,” Hasina told the gathering. Sirajganj district AL President Mostafizur Rahman presided over the meeting while Fisheries and Livestock Minister Abdul Latif Biswas, Communications Minister Syed Abul Hossain, PM’s advisers HT Imam and Towfiq-e-Elahi Chowdhury, among others, addressed it.
The ‘black night’ of March 25 returns again tonight (Thursday) evoking painful memories of a dreadful night of massacre and mayhem, the beginning of genocide of millions of unarmed sleeping Bangalees by the Pakistani occupation forces in 1971.
On this fateful night in 1971, the Pakistani military rulers launched “Operation Searchlight” killing some 7,000 people irrespective of their class, creed, sex and age in a single night to thwart the independence movement of the freedom-loving Bangalees from the 24-year-old subjugation and exploitation. Most of the halls of Dhaka University including Jagannath Hall were attacked and teachers-students-employees were dragged out of their quarters and dormitories and massacred in hundreds turning the entire campus into a killing ground.
Several structures including the Central Shaheed Minar, the monument of the historic language movement of 1952, and a good number of buildings located at Shakhari Bazar, Tanti Bazar, FrenchRoad and English Road were razed to the ground as the brutal forces used tanks and fired heavy artillery during the crackdown to silence the voice of Bangalees.
rape victims of 1971
It was to be only the beginning of the killings that continued for long nine months. On March 26, the nation waged an armed struggle against the Pakistani occupation forces following the declaration ofindependence by father of the nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman.
The Pakistani forces arrested the undisputed leader of independence Bangabandhu from his residence at Dhanmondi Road-32 as he through a wireless message called upon the people to resist the Pakistani occupation forces with what they have possessed. Later, Awami League leader MA Hannan and Major Ziaur Rahman (later president of Bangladesh) read out the proclamation of independence on behalf of Bangabandhu, which was broadcast from Kalurghat Radio Station in port city of Chittagong.
Responding to the call and defying all horrors and atrocities, the Bangalee nation, particularly the young generation from across the country, rose in rebellion and took part in the war of independence of their motherland from the clutches of Pakistani military junta while nearly one crore people took refuge in neighbouring India. After fighting a nine-month-long bloody war, the brave Bangalees ultimately freed the country from the occupation of Pakistani forces with the cooperation of the allied forces of India on December 16 in 1971.
Marking the “Black Night”, Bangabandhu Sangskritik Jote organised a candle-light vigil at the Shikha Chiratan (eternal flame) at Suhrawardy Udyan in the evening paying deep tributes to the martyrs of the Liberation War and demanding start of the trial of the war criminals immediately. Jote vice-president and film actor Faruque and joint secretary Arun Sarker Rana led the programme in which culturalworkers including actors and actresses of the film and stage took part.
black-night25march
Operation Searchlight
It all started with Operation Searchlight, a planned military pacification carried out by the Pakistan Army started on 25 March, 1971 to curb the Bengali nationalist movement by taking control of the major cities on March 26, and then eliminating all opposition, political or military, within one month. Before the beginning of the operation, all foreign journalists were systematically deported from Bangladesh. The main phase of Operation Searchlight ended with the fall of the last major town in Bengali hands in mid May.
#যদি তুমি কাউকে আমাদের স্বধীনতা যুদ্ধের কথা বলতে চাও,তাহলে বলো ত্রিশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে পাকিস্তানী সেনা আর তাদের এ দেশীয় দোসরের(রাজাকার,আল-বদর.আল-শামস গং), দুই লক্ষ মায়েদের সম্ভ্রম নিয়েছে ওরা।গ্রামের পর গ্রাম,শহরের পর শহর পুড়িয়েছে তারা…সমতলে পড়ে থাকতো লাশ আর নদীতে
25th-march-night-of-BD-libaration
কেবল লাশই ভাসতে দেখা যেতো আর বাতাসে কেবলই লাশের গন্ধ।
#এমন কোন পরিবার ছিল না যারা এ অবন’নীয় কষ্ট থেকে রেহাই পেয়েছে।
#অবশেষে পাকিস্তানী সেনা আর তাদের দোসরেরা পরাজিত হয়েছিল – – জন্ম হয়েছিল বহু আকাঙ্খিত বাংলা নামের দেশের। #তুমি বোলতে ভুলো না আমাদের মহান স্বধীনতা যুদ্ধের অহংকার জাতির গব’ মুক্তি সেনাদের কথা,তুমি অবশ্যই বোলো বাঙালীর মু্ক্তি সংগ্রামের মহানায়কের কথা – তার নাম তুমি অন্য ভাবে বলবে।তুমি বোলো কিন্তু সেই সব মানুষদের কথা যারা বাঙালীর হাজার বছরের স্বাধীনতার আকাঙ্খাকে পূবা’পর বাস্তবে রুপদানের জন্য যে সব কাজ করেছে তাদের কথা।
# তুমি কিন্তু অবশ্যই বলবে তাদের কথা যারা আমার ত্রিশ লক্ষ প্রাণ,দুই লক্ষ মায়ের সম্ভ্রম হনন করেছে আর পরাজয়ের মূহুতে’ হত্যা করেছে জাতির বিবেক, অহংকার আর গবে’র বুদ্ধিজিবীদের – অবশ্যই তুমি তাদের বিচারের কথা বলবে,এটা বলতে ভুলো না।
The demands for a fair and expeditious trial of the war crimes rang loud and clear, as the nation yesterday celebrated the Independence Day paying tribute to the heroic freedom fighters of 1971.The country observed the 40th anniversary of its independence yesterday. The celebration began with 31 gun salutes before dawn at the National Parade Square in the capital. President Zillur Rahman and Prime Minister Sheikh Hasina placed wreaths at the National Memorial at Savar in the early morning. They stood in solemn silence for a few minutes commemorating the liberation war martyrs. The premier at 9:00am attended the Independence Day parade at the Bangabandhu National Stadium. Bhutanese King Jigme Khesar Namgyel Wangchuck, who is on a Bangladesh visit, was also present. People from all walks of life including families and relatives of the martyrs, victims of war crimes, freedom fighters, socio-political and cultural organisations, human rights bodies and students crowded different memorials across the country with floral wreaths to pay homage to the martyrs. On March 25, 1971, the Pakistani occupation forces in the middle of the night unleashed one of the worst genocides in the history in then East Pakistan to suppress the uprising of Bangalees. On that night before his arrest, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman issued a proclamation of independence. Awami League leader MA Hannan the following day read out
Bangabandhu sheikh mujib
Bangabandhu’s message on air from Chittagong. On March 27, Maj Gen Ziaur Rahman read out the message again.
genocide bangalee
Hearing the declaration of independence from an army officer, the people regained their courage. After a nine-month-long bloody war and sacrifices of three million lives, Bangladesh achieved its independence. Yesterday was a public holiday. The national flag was hoisted on all government, semi-government and other important establishments. Many buildings, vehicles, thoroughfares and road islands in Dhaka were decorated with national flags of different sizes along with banners inscribed with patriotic slogans. The National Memorial reverberated with chanting of slogans and patriotic songs. People from different organisations also placed floral wreaths at Shikha Chirantan at Suhrawardy Udyan in the city. Processions were held in different parts of the city all day. People reiterated their demand for trial of war criminals. They pledged to realise martyrs’ dream of a democratic, prosperous and corruption-free nation.
Cultural programmes were held across the country while the historic 7th March speech by Bangabandhu and patriotic songs of the time of liberation war were played through loudspeakers on many streets.
Khaleda Zia was threatening anti-government agitation to save the war criminals and Islamist militants.
Honorable Prime Minister Sheikh Hasina has said the opposition leader Khaleda Zia was threatening anti-government agitation to save the war criminals and Islamist militants.
She also said the BNP chief is throwing program’s to protect ill-gotten assets and the corrupt.
BNP is the unparalleled champion when it comes to backing corruption, terrorism and militancy, Hasina said at a program on Monday in the capital’s Osmani Memorial Auditorium organized by Awami League to observe the historical ‘Six-Point Day’.”When we have started procedures of war crimes trial and launching drives against the militants, she (Khaleda) has also started declaring movement programs,” the prime minister said.
She criticized Khaleda’s husband and former president General Ziaur Rhaman for siding with the collaborators of the Pakistan army.
“The war crimes trial process had started, 10,000 criminals were being tried, (former Jamaat-e-Islmai chief) Ghulam Azam was stripped of his Bangladesh citizenship. Ziaur Rahman, however, stopped everything after assuming power.
“He had freed those who were behind bars and reinstated them into politics by creating a new political party,” said Hasina, alluding to BNP’s formation.
Zia had betrayed three million martyrs, she said.
The ruling party chief also slated Zia for killing hundreds of army officials, starting with the very people who had helped him to hold onto power.
Awami League advisory council member Suranjit Sengupta, also present on the occasion, urged the opposition chief to join the budget session of the parliament.
Not on the street, they need to join parliament if they want to talk on the budget.
Prime Minister Sheikh Hasina has accused the BNP-led opposition of plotting to protect the 1971 war criminals. “BNP has been trying its best to scuttle the trial of war criminals to save them. But our government is committed to holding the trial at any cost,” the premier said. They are campaigning at home and abroad to save the war criminals, she said. The premier was speaking to a delegation of human rights activists, journalists and academicians from home and abroad at her office yesterday. The delegates on Sunday participated in the International Conference on Peace, Justice and Secular Humanism in the capital. The MSSK Trust, Forum for Secular Bangladesh and Trial of War Criminals of 1971 and South Asian People’s Union against Fundamentalism and
খল নায়ক থেকে জিয়াকে যারা নায়ক বানাতে চায় তাদের উদ্দেশ্যে বলবো এরপরও কি আপনারা জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলবেন ? সীমা লঙ্ঘনকারীকে ঈশ্বরও ক্ষমা করবে না। মার্কিন প্রশাসন, কংগ্রেস ও বিভিন্ন বিদেশী পত্রিকায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার প্রচারঃ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক ২৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে হোয়াইট হাউসে প্রেরিত তথ্য; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের পূর্বাংশে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। ১৯৭০ থেকে ১৯৭১ সালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার মার্কিন অপ্রকাশিত দলিলের কভার পেজ। সেই দলিলে উল্লেখিত ২৬-২৭ মার্চ তারিখের ঘটনাবলি; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। মার্কিন সিনেটের ২৮ জুলাই, ১৯৭১ সালের কংগ্রেশনাল রেকর্ড; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। ২৭ মার্চ, ১৯৭১ নিউ ইয়র্ক টাইমস; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। ২৭ মার্চ, ১৯৭১ ওয়াশিংটন পোস্ট; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। ২৭ মার্চ, ১৯৭১ টাইম; যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ৫এপ্রিল, ১৯৭১ নিউজ উইক, যেখানে বলা হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন।
Communalism jointly organised the conference. The international personalities assured the prime minister of all-out support for trying the war criminals. They told Sheikh Hasina that if the violators of human rights in 1971 are not brought to justice, similar incidents might happen again in the country. The premier said her government started the process of war crimes trial as it wants to establish the rule of law in the country. The previous governments had destroyed many proofs of war crimes. But the evidence available now is enough to hold the trial maintaining international standards. Her government draws the strength to hold the trial from the people, especially the youths, she said.
The delegates include William Sloan and Eleitha Haynes from Canada; Nurun Nabi, USA; Charis Blackburn and BB Chowdhury from UK; Cecilia Wikstrom, Sweden; Peterus Joseph Noannes Maria Custers, the Netherlands, Mazim Dubaev, Russia, Parvin Najafgholi Ardalan, Iran; Zafar Malik, Naeema Zafar, and Ahmad Salim from Pakistan; former speaker Daman Dhungana, and journalist Yuba Nath Lamsal and poet Bhuban Dhungana from Nepal. Former speaker and minister PA Sangma, Jayanta Kumar Roy, journalist Manas Ghosh, BB Dutta, and Bidyut Debnath from India, and Shahriar Kabir, Muntasir Mamun, Mahfuza Khanam and Ferdousi Priyobhasini were also present.
A fasicinating beauty of Sundorbon The beautiful sundorbon forest is the located in the khulna region of Bangladesh. It is famous for it’s natural beauty, Royal bengal, deer, mangrove forest and claimity.Now it is running towards the apex position of world wonder’s among the several world beauty place,area,natural and arificial creature.Sundarban has the world largest mangrove forest and natural habitat of Royal Bangal Tiger. Most populer tourist place in Bangladesh. Natural beauty, wildlife, river cruise are attractions for the tourist. Hi every body, I like to say you with cheerfulness that Mangrove Sundorbon is selected one of 7wonder place in world. It is situated in country of Bangladesh at Bagerhat area and fortunately, I live in that district. So I am very happy for it. Sundorbon is the biggest Mangrove forest in the whole world. The Royal Bengel Tiger lives in this Jangle. And many other animals, birds and trees are available in there. Nobody can enter in this jangle without gun. This is very very danger place for human. A lot of wild animals move there. world largest mangrove forest “Sundorbon” | New7Wonders. world largest mangrove forest “Sundorbon” all friends you are invited to visit sundorbon in bangladesh. The beautiful sundorbon forest is the located in the khulna region of Bangladesh. It is famous for it’s natural beauty, Royal bengal, deer, mangrove forest. The government of Bangladesh has recently provided an updated Ramsar Information Sheet on its Sundarbans Ramsar site, first designated for the Ramsar List in May 1992, enlarging its area from 596,000 to 601,700 hectares. Now to be called “Sundarbans Reserved Forest”, this Ramsar and World Heritage site is one of the most important mangrove forests in the world and has been significantly threatened from a number of directions for many years. The nearby Sundarbans mangrove forest across the border in India is not yet a Ramsar site but it is hoped that it will be soon. Ramsar’s Liazzat Rabbiosi has distilled from the new RIS a brief summary of the site’s main ecological and cultural features, and that’s available, with photographs, right here. The Sundarbans Reserved Forest (‘the Beautiful Forest’) is located between 21°27′ and 22°30’N, 89°02′ and 90°00’E at the confluence of the Ganges, Brahmaputra and Meghna rivers, which together with the innumerable small channels and creeks flowing into the Bay of Bengal dissect the whole area creating the largest contiguous mangrove forest in the world. The site is a hotspot of rich flora and fauna, home to a number of unique and globally or nationally endangered species of plants like rare Sundri (Heritiera fomes), Gewa (Excoecaria agallocha), Passur (Xylocarpus mekongensis), animals like endangered Royal Bengal . Tiger (Panthera tigris tigris), vulnerable Pallas Fishing Eagle (Haliaeetus leucoryphus) and Masked Finfoot (Heliopais personata), and critically endangered River Terrapin (Batagur baska), all listed in the IUCN Red Book, rare species of shark (Glephys gangeticus) and very rich avifauna with 315 species of which 84 are migratory. At this transitional zone between freshwater supplied by rivers and saline water pushed by high tides from open sea, many fish species such as Penaeus monodon, Macrobrachium rosenbergii, Lates calcarif, Metapeneaus monoceros and Pangaisus pangaisus depend for spawning and juvenile feeding on the Sundarbans aquatic habitat. The wetland is remarkable for protection from the tidal surge generated from the cyclonic depression in the Bay of Bengal. About one third of the total area is used as protected area for the conservation of biological diversity. In addition, the abundant fish and biomass resources (namely timber, fuelwood, pulpwood, leaves, shells, crabs, honey and fish) are harvested by local communities. There is a shipping route through the Sundarbans. The area’s religious and cultural importance is reflected in a religious festival once a year which attracts local Hindu devotees and in the venerable ruined Hindu temple of Sheikh at Shekher Tek. The reduction in fresh water flow due to water diversion, the construction of dykes combined with the pollution of the industries and the ports of Khulna and Mongla have tremendously affected the plant and fish population of Sundarbans. The site is notable for the long history of scientific management with protected areas established along the southern periphery of this mangrove wetland. There are eight field stations that provide data for a number of ongoing studies and researches. Recently an information and education center was established at Khulna and a new Integrated Sundarbans management plan is under preparation under the Sundarbans Biodiversity Conservation Project funded by Asian Development Bank. world largest mangrove forest “Sundorbon” all friends you are invited to visit sundorbon in bangladesh. The beautiful sundorbon forest is the located in the khulna region of Bangladesh. It is famous for it’s natural beauty, Royal bengal, deer, mangrove forest. Sundorbon: Largest Mangrove Forest in The World. Sundorbon is the largest mangrove forest in the world. It lies across areas of Bangladesh and West Bengal, India. Its a cluster of islands with an approximate area of 6000 sq. km. forming the largest block of littoral forests.It is estimated that there are now 400+ Bengal tigers and about 30,000+ spotted deer in the forest!UNESCO has decleared the Sundorbon a world heritage site that it offers splendid opportunities for tourism. About Sundorbon Forest It’s beauty lies in its unique natural surrounding. The Sundorbon is intersected by a complex network of tidal waterways, mudflats and small islands of salt-tolerant mangrove forests, and presents an excellent example of ongoing ecological processes. Thousands of meandering streams, creeks, rivers and estuaries have enhanced its charm. Sundarbans meaning beautiful forest is the natural habital of the world famous Royal Bengal Tiger, spotted deer, crocodiles, jungle fowl, wild boar, lizards, theses monkey and numerous species of birds. Migratory flock of Siberian ducks flying over thousands of sail boats loaded with timber, golpatta (round-leaf), fuel wood, honey, shell and fish further add to the serene natural beauty of the Sundarbans. It is estimated that there are now 400+ Bengal tigers and about 30,000+ spotted deer in the forest!AREANearly 2400 sq. miles or 6000 sq. km.FOREST LIMITSNorth-Bagerhat, Khulna and Sathkira districts : South-Bay of Bengal; East-Baleswar (or Haringhata) river, Perojpur, Barisal district and West-Raimangal and Hariabhanga rivers which partially form Bangladesh boundary with West Bengal in India. MAIN ATTRACTIONS Wildlife photography including photography of the famous Royal Bengal Tiger, wildlife viewing, boating inside the forest will call recordings, nature study, meeting fishermen, wood-cutters and honey-collectors, peace and tranquility in the wilderness, seeing the world’s largest mangrove forest and the riverine beauty. Sundorbon selected as one of the new seven wonders of the world!